[জীবন সুন্দর। আকাশ, বাতাস, পাহাড় সমুদ্র
সবুজ বনানী ঘেরা প্রকৃতি সুন্দর, আর সবচেয়ে সুন্দর এই বেঁচে থাকা।
তবুও কী আজীবন বেঁচে থাকা যায়?
বিদায়ের সেহনাই বাজে, নিয়ে যাওয়ার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে,
সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে, এই যে বেঁচেছিলাম। দীর্ঘশ্বাষ নিয়ে যেতে হয়, সবাইকে অজানা গন্তব্যে।
হটাৎ ডেকে উঠে নাম না জানা পাখি, অজান্তে চমকে উঠি, জীবন ফুরালো নাকি?]
এমনি করে সবাই যাবে যেতে হবে
দেহের মাপের মাটির ঘরে শুতে হবে।
কেউ যাবে না তখন সাথে
যারাই ছিল দিনে রাতে
চোখের আলোর ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দেবে।
যে যার কাজে ব্যস্ত হবে দুদিন পরে
এই পৃথিবীর শোকের আয়ু দণ্ড দরে।
কি লাভ মিছে সংঘর্ষে
সুখ দুঃখের পরিপার্শ্বে
একদিন ঠিক পাপ-পুণ্যের বিচার হবে।
ধনীর বাড়ির কাঙাল ভোজের আয়োজনে
মুখর হবে লোক দেখানোর প্রয়োজনে
পিদিম আলোয় ভরবে কুঠির আশীর্বাদে বইবে অধির।
ক্রমান্বয়ে বুকের মাঝে স্মৃতি হবে।।
হয়ত কারো পড়বে মনে একলা একা
ধলপহরের আলোয় যেন হটাৎ দেখা।
পড়বে মনে চার বেহারায়
পালকি তোলে চার কলেমায়।
ধীর গতিতে নির্জনতে এগিয়ে যাবে।।